Web Analytics

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ও জেরিয়াট্রিশিয়ান ডা. মো. আশরাফ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, এ বছর ডেঙ্গুর উপসর্গে কিছু পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। আগে জ্বরের শুরুতেই তাপমাত্রা ১০২ বা ১০৩ ডিগ্রি থাকলেও এখন অনেক রোগী ১০০ বা ১০১ ডিগ্রির লো-গ্রেড জ্বর নিয়ে হাসপাতালে আসছেন। তীব্র গা ও চোখের পেছনের ব্যথাও সব ক্ষেত্রে থাকছে না; কিছু রোগীর পাতলা পায়খানা হচ্ছে। অল্প জ্বর ও লুজ মোশন প্রাথমিকভাবে উপেক্ষিত হওয়ায় রোগ নির্ণয়ে দেরি হচ্ছে এবং কেউ কেউ খারাপ অবস্থায় হাসপাতালে পৌঁছাচ্ছেন।

তিনি বলেন, শরীরের যেকোনো স্থান থেকে রক্তপাত, লাল প্রস্রাব, কালো পায়খানা, ত্বকে কালো-লালচে দাগ, তীব্র পেটব্যথা, শ্বাসকষ্ট, প্রস্রাব কমে যাওয়া, রক্তচাপ কমে যাওয়া ও অতিরিক্ত বমি ডেঙ্গুর বিপদসংকেত। এসব লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে। সাধারণ ভাইরাস জ্বরে বিশ্রাম, বেশি তরল ও প্যারাসিটামলের পরামর্শ দেন তিনি।

ডা. আহমেদ জানান, জ্বরের প্রথম দিন থেকেই এনএস১ অ্যান্টিজেন ও সিবিসি পরীক্ষা করা যায়। এনএস১ সাধারণত প্রথম চার দিনে পজিটিভ থাকে। ডেঙ্গু আইজিজি ও আইজিএম অ্যান্টিবডি সাধারণত পাঁচ দিনের পর পজিটিভ হতে শুরু করে, তাই ষষ্ঠ বা সপ্তম দিনে পরীক্ষা করা যেতে পারে।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।