মানব পাচারচক্র আকর্ষণীয় বিদেশি চাকরির বিজ্ঞাপন দিয়ে শিক্ষিত, ইংরেজিতে দক্ষ ও প্রযুক্তি ব্যবহারে স্বচ্ছন্দ তরুণদের ফাঁদে ফেলছে। রুয়ান্ডা সফরের অভিজ্ঞতাভিত্তিক এই বিবরণে বলা হয়েছে, এসব চাকরির বাস্তব অস্তিত্ব নেই। গন্তব্যে পৌঁছানোর পর ভুক্তভোগীদের পাসপোর্ট কেড়ে নিয়ে সুরক্ষিত কম্পাউন্ডে আটকে অনলাইন প্রতারণা করানো হয়, যার মধ্যে ইউরোপের মানুষের সঙ্গে ভুয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে টাকা আদায়ও রয়েছে।
নির্ধারিত লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হলে ভুক্তভোগীদের মারধর, অনাহার বা নির্জন কারাবাসের মুখে পড়তে হয়। রুয়ান্ডায় দেখা দুই ভুক্তভোগী জানান, তাদের নির্দিষ্ট স্ক্রিপ্ট দিয়ে অনলাইনে নারীর ছদ্মবেশ নিতে বাধ্য করা হয়েছিল। আইওএমের সহায়তায় দেশে ফেরার পর তারা একই অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অন্যদের সতর্ক করছেন। ধারণা করা হয়, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অন্তত ৩ লাখ মানুষ পাচার বা স্ক্যাম কম্পাউন্ডে আটকা পড়েছে।
২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে আইওএম ৩৯ দেশের ৩,৫০০-এর বেশি ভুক্তভোগীকে সহায়তা করেছে। প্রতিবেদনে শ্রম, সীমান্ত, পুলিশ ও কনস্যুলার কর্তৃপক্ষের সমন্বিত পদক্ষেপ এবং প্রযুক্তি কোম্পানির মাধ্যমে ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞাপন অপসারণের আহ্বান জানানো হয়েছে। জোর করে প্রতারণায় বাধ্য ব্যক্তিদের শাস্তি নয়, পাচারের শিকার হিসেবে সুরক্ষা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।