জিওপি নেতা রাশেদ খান বলেন, প্রত্যেক উপদেষ্টার দুর্নীতির তদন্ত করতে হবে। যদি কোনো উপদেষ্টা দুর্নীতি না করে থাকে আমরা তাদের শ্রদ্ধা জানাব। প্রতি মাসে উপদেষ্টারা সম্পদের হিসাব দেবেন বলে তারা বলেছিলেন। কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব দিতে হবে বলেও ঘোষণা করা হয়ে ছিল। আজও কি কেউ সম্পদের ফিরিস্তি জমা দিয়েছেন? তিনি বলেন, যারা টিউশনি করে চলত তারা এখন কতটা সুখে রয়েছে, গাড়ি বাড়ির মালিক হয়েছে বলে অভিযোগ শোনা যায়। উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের পিএসের বিরুদ্ধে তদন্তের পাশাপাশি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধেও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি। আরো বলেন, আমাদের দাবি ছিল ডিসেম্বরে নির্বাচন হোক; কিন্তু তিনি আমাদের কথা রাখলেন না।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।