Web Analytics

পণ্যের উৎপাদন থেকে ব্যবহার পর্যন্ত কার্বন নিঃসরণ কীভাবে গণনা হবে এবং দায় কার ওপর পড়বে, তা নিয়ে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, গবেষক ও পরিবেশকর্মীদের মধ্যে মতবিরোধ বাড়ছে। গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডোর অ্যাসপেনে শিক্ষাবিদ, এনজিও ও শিল্প খাতের প্রতিনিধিরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। অ্যাসপেন ইনস্টিটিউটের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, এ বিতর্ক জলবায়ু বিধিবিধান, করপোরেট বিনিয়োগ, জ্বালানি কেনা এবং নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের ব্যবহারকে প্রভাবিত করতে পারে।

দুই দশকের বেশি সময় ধরে গ্রিনহাউস গ্যাস প্রটোকল কার্বন হিসাবের প্রধান বৈশ্বিক মানদণ্ডগুলোর একটি। এতে স্কোপ-১ এ প্রতিষ্ঠানের সরাসরি নিঃসরণ, স্কোপ-২ এ কেনা বিদ্যুৎ, তাপ ও শীতলীকরণের সঙ্গে যুক্ত পরোক্ষ নিঃসরণ এবং স্কোপ-৩ এ মূল্যশৃঙ্খলের অন্যান্য পরোক্ষ নিঃসরণ ধরা হয়। সমালোচকদের মতে, এতে একই নিঃসরণ একাধিক প্রতিষ্ঠানের হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। সমর্থকেরা বলেন, এতে বায়ুমণ্ডলে নিঃসরণ দ্বিগুণ হয় না; বরং বিভিন্ন পক্ষের সংযোগ বোঝা যায়।

বিকল্প ই-লেজার পদ্ধতিতে প্রতিটি নিঃসরণের আলাদা হিসাব পণ্যের সঙ্গে স্থানান্তরিত হবে। সমর্থকদের দাবি, এতে দ্বৈত গণনা কমতে পারে, তবে পুরো সরবরাহশৃঙ্খলের অংশগ্রহণ প্রয়োজন। ২০২৫ সালে এক্সনমোবিল, ব্ল্যাকরকসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এ পদ্ধতির পক্ষে জোট গঠনে সমর্থন দেয়। অ্যাসপেনের অংশগ্রহণকারীরা অভিন্ন অবস্থানের জন্য কাজ করতে সম্মত হয়েছেন এবং ই-লেজার ও জিএইচজিপি একসঙ্গে ব্যবহারের সম্ভাবনাও আলোচনা করেছেন।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।