Web Analytics

বাংলাদেশে ই-সিগারেট ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ছে, যা প্রথম আমদানি হয় ২০১২ সালে। দৃশ্যত নিরীহ ধোঁয়া ও মিষ্টি সুবাসের কারণে এটি দ্রুত জনপ্রিয়তা পায়। আমদানিকারক ও বিক্রেতারা দাবি করেন, এটি প্রচলিত সিগারেটের তুলনায় নিরাপদ। তবে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, অধিকাংশ ই-সিগারেটে নিকোটিন থাকে, যা আসক্তির মূল কারণ। জাতীয় হৃদ্‌রোগ ফাউন্ডেশনের অধ্যাপক সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, ই-সিগারেটের মাধ্যমে নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা অনেক সময় প্রচলিত সিগারেটের চেয়েও বেশি হতে পারে।

তিনি সতর্ক করেন, তরুণ ও কিশোরেরা সহজেই এই পণ্যের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এর ক্ষতিকর প্রভাব আরও বাড়তে পারে। যদিও ই-সিগারেটের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব এখনো অজানা, সাম্প্রতিক গবেষণাগুলো বলছে এটি নিরাপদ নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ই-সিগারেট ব্যবহারকারীদের সাধারণ সিগারেটে আসক্ত হওয়ার ঝুঁকি দ্বিগুণ।

২০০৫ সালে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন ও ২০১৩ সালে সংশোধনের পরও দেশে ধূমপান কমেনি। প্রতিবছর তামাকজনিত কারণে ১ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হচ্ছে।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।