জর্ডানের পূর্বাঞ্চলীয় মরুভূমিতে অবস্থিত মুওয়াফাক সালতি এয়ার বেস বা আল-আজরাক ঘাঁটিতে ইরান একাধিকবার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। ঘাঁটিটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা, যুদ্ধবিমান ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন রয়েছে এবং জর্ডানে প্রায় চার হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছেন। ইরানের দাবি, এফ-৩৫, এফ-১৬ ও এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের রক্ষণাবেক্ষণ, প্রস্তুতি ও মোতায়েনকেন্দ্র এবং বিমান রাখার হ্যাঙ্গার লক্ষ্য করে এসব হামলা করা হয়েছে।
জর্ডানের ভাষ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ২০টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে ১৮টি প্রতিহত করা হয়েছে এবং বাকি দুটি জনবসতিহীন এলাকায় পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আল-আজরাক একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও লজিস্টিক কেন্দ্র, যেখান থেকে যুদ্ধবিমান, পরিবহন বিমান ও নজরদারি ব্যবস্থা পরিচালনা করা যায়। ইরাক ও সিরিয়ায় মার্কিন গোয়েন্দা, নজরদারি ও সামরিক অভিযানেও জর্ডানের বিমানঘাঁটিগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান থেকে তুলনামূলক দূরত্বের কারণে জর্ডান যুক্তরাষ্ট্রকে কৌশলগত সুবিধা দেয়। ২০২১ সালের প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র জর্ডানের ১২টি সামরিক স্থাপনায় প্রবেশাধিকার পায়; তবে ২০১৬ সাল থেকেই আল-আজরাকে মার্কিন ড্রোন ও যুদ্ধবিমানের উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগের হামলায় মার্কিন যুদ্ধবিমান, হ্যাঙ্গার ও কমান্ডকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এবং চলতি বছরের জুলাইয়ের হামলায় দুই মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার কথা কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।