এলডিসি থেকে টেকসই ও স্থিতিশীল উত্তরণের জন্য এসএমই, কৃষি, ওষুধসহ বিভিন্ন শিল্পে খাতভিত্তিক সুনির্দিষ্ট কর্মকৌশল নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশের শিল্পোদ্যোক্তারা। সোমবার রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআই বোর্ড রুমে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ বিষয়টি উঠে আসে। সংগঠনটির প্রশাসক মো. ফজলুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় শুধু পরিকল্পনা গ্রহণ নয়, এর সঠিক বাস্তবায়ন ও নিয়মিত তদারকির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
ব্যবসায়ী নেতারা স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা, দক্ষতা উন্নয়ন, গবেষণা, উদ্ভাবন, প্রযুক্তির ব্যবহার, সহজ অর্থায়ন, লজিস্টিকস সহায়তা ও নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। এফবিসিসিআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, এলডিসি উত্তরণের পর ইউরোপে জিএসপি ও ইবিএর মতো শুল্কমুক্ত সুবিধা হারাতে পারে বাংলাদেশ এবং ওষুধসহ নানা শিল্পে মেধাস্বত্ববিষয়ক বিধিনিষেধ কঠোর হতে পারে। আলোচকেরা মাঠপর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ করে খাতভিত্তিক অগ্রাধিকার নির্ধারণের প্রস্তাব দেন।
সভায় নেগোসিয়েশন সক্ষমতা বাড়ানো, ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো পুরোপুরি কার্যকর করা এবং প্লাস্টিক, হালকা প্রকৌশল ও ক্ষুদ্র শিল্পের জন্য দ্রুত সরকারি-বেসরকারি কর্মপরিকল্পনার দাবি জানানো হয়। জেলা চেম্বার ও খাতভিত্তিক সমিতিগুলোকে লিখিত প্রস্তাব দিতে বলেছে এফবিসিসিআই। সেসব বিশ্লেষণ করে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে উপস্থাপন করা হবে। মো. ফজলুল হক বলেন, পাওয়া অতিরিক্ত তিন বছর কাজে লাগিয়ে বেসরকারি খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।