Web Analytics

বিপুল লোকসান, লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থতা এবং পুঞ্জীভূত আয় ঋণাত্মক হওয়ায় সিঙ্গার বাংলাদেশ গত ৮ জুলাই শেয়ারবাজারে এ ক্যাটাগরি থেকে সরাসরি জেড ক্যাটাগরিতে অবনমিত হয়েছে। একসময় ব্লু-চিপস হিসেবে পরিচিত বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানটি ২০২৫ সালে প্রায় ২২৫ কোটি টাকা লোকসান করে, যেখানে ২০২৩ সালে তাদের ৫২ কোটি টাকা নিট মুনাফা ছিল। কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৫৬ পয়সা। জেড ক্যাটাগরির শেয়ারকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ বা জাংক বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, উৎপাদন বা বিক্রি কমার চেয়ে কৌশলগত রূপান্তর ও অতিরিক্ত ঋণের বোঝা সংকটের প্রধান কারণ। ২০১৯ সালে আর্চেলিক ৫৭ শতাংশ শেয়ার কিনে নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর সিঙ্গার আমদানিনির্ভর মডেল থেকে স্থানীয় উৎপাদনভিত্তিক মডেলে যায়। নারায়ণগঞ্জের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৩৪ একর জমিতে প্রায় ৭৮ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে কারখানা স্থাপন করা হয়। ২০২৩ সালের ৬০ কোটি ৪০ লাখ টাকার সুদ ব্যয় ২০২৫ সালে বেড়ে ৩২২ কোটি টাকায় পৌঁছায়।

পরিচালন ব্যয় প্রায় ৪৮০ কোটি টাকায় ওঠে, মজুত পণ্য ৯৫৮ কোটি টাকায় পৌঁছায় এবং গ্রাহক ও ডিলারদের বকেয়া ৪৮৪ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। সিঙ্গার জানিয়েছে, ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে তারা আবার মুনাফায় ফিরেছে। ব্যয় কমানো, ঋণ হ্রাস, মূলধনী ব্যয় স্থগিত এবং সিঙ্গার-বেকো পোর্টফোলিও একীভূত করে বাজার অংশীদারত্ব বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। উৎপাদন কেন্দ্র থেকে রপ্তানিও শুরু হয়েছে।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।