আমার দেশ-এ ২৫ জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত সৈয়দ মূসা রেজার মতামতধর্মী লেখায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির তেহরানের জানাজা ও শোকানুষ্ঠানকে মধ্যপ্রাচ্য এবং বিশ্বরাজনীতির বদলে যাওয়া শক্তিসমীকরণের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। লেখাটির ভাষ্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলবিরোধী স্লোগান এবং প্রতিশোধের দাবি ওঠে। লেখক মনে করেন, এই আয়োজন ইরানের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, শাসনব্যবস্থা ও সশস্ত্র বাহিনীর ঐক্যের বার্তা দিয়েছে।
লেখায় মিডল ইস্ট মনিটরের বিশ্লেষণের উল্লেখ করে বলা হয়েছে, শীর্ষ নেতৃত্বকে সরিয়ে রাষ্ট্রব্যবস্থা ভেঙে দেওয়ার ‘ডিক্যাপিটেশন স্ট্র্যাটেজি’ কার্যকর হওয়ার ধারণাকে তেহরান, কোম ও কারবালার জনসমাগম প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। পাকিস্তান ও তাজিকিস্তানের শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিকে গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর জাতীয় স্বার্থভিত্তিক কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
রাশিয়ার সরকারি গণমাধ্যম আরটির আলোচিত সাত শিক্ষার মধ্যে নিষেধাজ্ঞার সীমিত কার্যকারিতা, কম খরচের সামরিক প্রযুক্তি, নৌপথে একক নিয়ন্ত্রণের দুর্বলতা, অপ্রতিসম যুদ্ধ, বিকল্প মুদ্রায় জ্বালানি বাণিজ্য এবং সামরিক জোটে মতভেদের কথা রয়েছে। লেখক উপসংহারে বলেন, বিশ্ব একমেরু বয়ানের বদলে বহু রাষ্ট্র ও কণ্ঠের বহুমেরু বাস্তবতার দিকে যাচ্ছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।