চাঁদাবাজি ও গ্যাং সহিংসতায় রাজধানীর মোহাম্মদপুর, আদাবর ও আশপাশের এলাকা পরিণত হয়েছে আতঙ্কের জনপদে—এমন তথ্য উঠে এসেছে ২০ জুন ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত ‘আমার দেশ’-এর প্রতিবেদনে। ফুটপাত, বাজার, ব্যবসা, পরিবহনসহ প্রায় সবখানেই চলছে চাঁদাবাজি। চাঁদা না দিলে হামলা, হুমকি ও হত্যার শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। চাঁদাবাজির প্রতিবাদে রাজনৈতিক কর্মী খুনের ঘটনাও ঘটেছে। পুলিশ ও র্যাবের অভিযান চললেও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আসছে না।
পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্যমতে, জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত সারা দেশে ৬৯৬টি চাঁদাবাজির মামলা হয়েছে, যার মধ্যে ঢাকায় ২৩৬টি। রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর জামিনে মুক্ত হওয়া শীর্ষ সন্ত্রাসীরা আবারও চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও মাদক ব্যবসায় সক্রিয় হয়েছে। মোহাম্মদপুর ও আদাবরে অর্ধশতাধিক অপরাধী চক্র সক্রিয় রয়েছে, যাদের মধ্যে ১৭টি বড় গ্রুপ নিয়মিতভাবে ছিনতাই ও মাদক ব্যবসায় জড়িত।
অবিরাম সহিংসতা ও পুলিশের ওপর হামলার প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা মানববন্ধন করে নিরাপদ মোহাম্মদপুর ও আদাবর দাবি জানিয়েছেন। তারা পুলিশ সদস্য বৃদ্ধি, টহল জোরদার ও সিসিটিভি নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানান।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।