যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বেরিয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে এর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে এই পদক্ষেপের আগে যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলসহ ৬৬টি আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকেও সরে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সাফল্যের পেছনে ডব্লিউএইচও-র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের তহবিল বন্ধের আগেই সংস্থাটির কার্যক্রম দেশে সংকুচিত হতে শুরু করেছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মুশতাক হোসেন ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক বে-নজির আহমেদ সতর্ক করেছেন যে, তহবিল কমে গেলে সম্প্রসারিত টিকাদান, রোগ নিয়ন্ত্রণ, জরুরি সাড়া ও ল্যাবরেটরি সহায়তার মতো গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তারা রাজনৈতিক দলগুলোকে বিকল্প অর্থায়ন ও অভ্যন্তরীণ বাজেট বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন। ডব্লিউএইচও দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের টিকাদান, মাতৃস্বাস্থ্য, সংক্রামক রোগ নির্মূল ও মহামারি প্রস্তুতিতে সহায়তা দিয়ে আসছে।
ডব্লিউএইচও প্রধান তেদ্রোস আধানম গেব্রিয়েসাস স্বীকার করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্থান সংস্থাটিকে তহবিল সংকটে ফেলেছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, বাংলাদেশে ডব্লিউএইচও-র সহায়তা কমে গেলে জনস্বাস্থ্য ও রোগ নির্মূল প্রচেষ্টা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।