বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বছরে প্রায় ২৫ লাখ টন ভোজ্যতেলের চাহিদার প্রায় ৯০ শতাংশ মেটানো হয় আমদানি করা অপরিশোধিত সয়াবিন ও পাম তেল পরিশোধনের মাধ্যমে। দেশে ব্যবহৃত ভোজ্যতেলের কাঁচামালে স্বয়ংসম্পূর্ণতা নেই। অথচ দেশীয় ধানের কুঁড়া থেকে বছরে প্রায় সাড়ে সাত লাখ টন রাইস ব্র্যান অয়েল উৎপাদনের সুযোগ থাকলেও তা সাধারণ ভোক্তার রান্নাঘরে স্থায়ী স্থান পায়নি।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, সদ্যবিদায়ী অর্থবছরে ২২ লাখ ২৩ হাজার টন সয়াবিন ও পাম তেল আমদানিতে প্রায় ৩০ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। শুল্ক, ভ্যাট ও অন্যান্য খরচসহ মোট আমদানি মূল্য প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ২৪ লাখ ৫০ হাজার টন আমদানিতে ব্যয় হয়েছিল প্রায় ৩১ হাজার ৯০৪ কোটি টাকা; শুল্ক ও ভ্যাটসহ মোট ব্যয় ছিল প্রায় ৩৪ হাজার ৮৯৬ কোটি টাকা।
সরকারি পর্যায়ে রাইস ব্র্যান অয়েলের চাহিদা বাড়ছে। মে মাসে এক কোটি লিটার পরিশোধিত রাইস ব্র্যান অয়েল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয় এবং জুলাইয়ের প্রতিবেদনে এক কোটি ৮০ লাখ লিটার সংগ্রহের সিদ্ধান্তের কথা আসে। বিশেষজ্ঞরা কাঁচামাল সংগ্রহের নেটওয়ার্ক, কারখানার সক্ষমতা ব্যবহার, উৎপাদন ব্যয় কমানো, ছোট প্যাক ও খুচরা বাজারে সহজলভ্যতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।