ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক যুদ্ধে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) গোপনে সক্রিয় সামরিক ভূমিকা পালন করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে সমন্বয় করে আমিরাত ইরানের অভ্যন্তরে কয়েক ডজন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। প্রতিবেদনে জানানো হয়, যুদ্ধ শুরুর কাছাকাছি সময়েই এসব হামলা শুরু হয় এবং যুদ্ধবিরতির পরদিন পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল কেশম ও আবু মুসা দ্বীপ, বন্দর আব্বাস, লাভান দ্বীপের তেল শোধনাগার এবং আসালুয়েহর পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের পাল্টা আক্রমণের জবাব হিসেবেও কিছু হামলা চালায় আমিরাত। যুদ্ধ চলাকালে ইরান ইউএই-এর তেল ও গ্যাস অবকাঠামোতে ২ হাজার ৮০০টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। সৌদি আরব তুলনামূলকভাবে কূটনৈতিক অবস্থান নিলেও আবুধাবি সরাসরি সামরিক প্রতিক্রিয়া বেছে নেয়। রিয়াদ যুক্তরাষ্ট্রকে জানায়, ইরানে আমিরাতের হামলা আঞ্চলিক জ্বালানি স্থাপনাগুলোর ঝুঁকি বাড়াচ্ছে এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বাড়ানোর আহ্বান জানায়।
প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় ইউএই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, সংঘাত ও এর পরিণতির জন্য সম্পূর্ণ দায় ইরানের।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।