মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেন, ইরান যদি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত না হয়, তবে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, বিশেষ করে সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্র, ধ্বংস করে দেওয়া হতে পারে। ট্রাম্প দাবি করেন, মঙ্গলবার মধ্যরাতের মধ্যে ইরানের প্রতিটি সেতু ধ্বংস করা সম্ভব এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো অচল হয়ে যাবে। তিনি যোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র এমন পরিস্থিতি চায় না, তবে প্রয়োজনে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত। বেসামরিক স্থাপনায় হামলা যুদ্ধাপরাধ হতে পারে কি না—এমন প্রশ্ন এড়িয়ে যান ট্রাম্প এবং এক সাংবাদিককে তিরস্কার করেন।
ট্রাম্প বলেন, ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মানতে হবে—হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখা, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বন্ধ করা এবং পারমাণবিক কর্মসূচি গুটিয়ে নেওয়া। অন্যদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, তেহরান যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে এবং স্থায়ী সংঘাত অবসান, নিরাপদ নৌ চলাচল, যুদ্ধক্ষতির ক্ষতিপূরণ ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।
হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে এবং তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৫ ডলারের বেশি হয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাম্প্রতিক সময়ে ভারত, রাশিয়া ও তুরস্কের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ বাড়িয়েছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।