Web Analytics

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য যোগদান নিয়ে আলোচনা চলছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চুক্তিটিকে ইতিবাচক বলেছে, তবে যোগদানের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান সংসদে বলেন, বর্তমান সদস্যরা আমন্ত্রণ জানালে বাংলাদেশ বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে। মক্কায় তিন দেশের শীর্ষ নেতাদের করা এই চুক্তিকে কেউ কেউ ‘মুসলিম ন্যাটো’ বলছেন।

নিরাপত্তা বিশ্লেষক হাসিব আজিজের মতে, জোটে যোগ দিলে তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে যৌথ সামরিক সক্ষমতা, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, এআই অংশীদারত্ব এবং গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে। তুরস্ক থেকে বাংলাদেশের বায়রাক্তার ড্রোন ও অটোকার কোবরা ভেহিকেল আমদানি এই সহযোগিতার মাধ্যমে বাড়তে পারে। সৌদি আরবের উন্নয়ন সহযোগিতা, প্রবাসী আয় এবং বিদ্যমান নৌ প্রতিরক্ষা সম্পর্কও বাংলাদেশের জন্য প্রাসঙ্গিক।

তবে জোটের সম্মিলিত প্রতিরক্ষা নীতি অন্য সদস্য আক্রান্ত হলে বাংলাদেশকে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি করতে পারে। পাকিস্তানের সদস্যপদের কারণে ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনায় জোটের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লাইলুফার ইয়াসমিন বলেন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের অগ্রাধিকার বিবেচনায় সামরিক জোটে যোগদানের প্রয়োজন বিচার করা উচিত। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ কখনো সামরিক জোটে যোগ দেয়নি; তাই এমন সিদ্ধান্তের আগে জাতীয় আলোচনা প্রয়োজন।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।