ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সোমবার জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ এলাকায় জ্বালানি স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালানোর কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছিল না। এর আগে আমিরাত অভিযোগ করেছিল, ইরান ওই হামলা চালিয়েছে, যাতে তিনজন ভারতীয় নাগরিক আহত হন। আমিরাত এই ঘটনাকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধবিরতির সময় ‘বিপজ্জনক উত্তেজনা বৃদ্ধি’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
ইরানের এক সামরিক কর্মকর্তা বলেন, ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের পক্ষ থেকে কোনো হামলার পরিকল্পনা ছিল না এবং এই ঘটনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কর্মকাণ্ডই দায়ী। তিনি অভিযোগ করেন, মার্কিন বাহিনী হরমুজ প্রণালিতে অবৈধভাবে জাহাজ চলাচলের সুযোগ দিচ্ছে এবং এই আগ্রাসী আচরণ বিশ্ব অর্থনীতিকে প্রভাবিত করছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, পারস্য উপসাগরে মার্কিন ডেস্ট্রয়ার পাঠানোর পর ইরানের নৌবাহিনী সতর্কতামূলক গুলি চালায়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, তিনি আটকে পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপদে বের করে আনার মানবিক পরিকল্পনা নিয়েছেন, তবে উভয় পক্ষই একে অপরের দাবি অস্বীকার করেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।