চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) বন্দরনগরী চট্টগ্রামকে একটি টেকসই, পরিবেশবান্ধব ও দুর্যোগ সহনশীল স্যাটেলাইট সিটিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে ২৫ বছরের মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করছে। মাস্টারপ্ল্যান ২০২৫–২০৫০ নামে এই পরিকল্পনার খসড়া প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে গেজেট প্রকাশের জন্য, এরপর ৬০ দিনব্যাপী গণশুনানি হবে। ডিসেম্বর মাসে পরিকল্পনাটি প্রকাশের কথা রয়েছে। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৫ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। ইতোমধ্যে ৮৭ শতাংশ ভৌত ও ৫৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে এবং ১,১৩৫টি মৌজা ম্যাপ ডিজিটালাইজড করা হয়েছে।
পরিকল্পনায় কর্ণফুলী নদীর ওপারের আনোয়ারা ও কর্ণফুলী এলাকা যুক্ত করে শহরের আয়তন ১৫৫ থেকে ৯৫৫ বর্গকিলোমিটারে বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে। এতে ১৯টি খাতে ২৭৬টি প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যেখানে পরিবেশ সংরক্ষণ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও ৮–১০ লাখ মানুষের উন্নত আবাসনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৯৮ দশমিক চার বর্গকিলোমিটার পাহাড়ি এলাকায় স্থাপনা নির্মাণ নিষিদ্ধ থাকবে।
নগর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিকল্পনাটি প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত হলেও সমন্বয়, আইন সংস্কার ও পর্যাপ্ত বাজেট ছাড়া বাস্তবায়ন কঠিন হবে। সিডিএ জানিয়েছে, ডিসেম্বর থেকে নতুন মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী কার্যক্রম শুরু হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।