Web Analytics

আমার দেশের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পিলখানা হত্যাকাণ্ড নিয়ে জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের ২১১ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন জমা দেওয়ার আট মাস পরও তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। মেজর জেনারেল (অব.) এ এল এম ফজলুর রহমানের নেতৃত্বাধীন কমিশনটি ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। কমিশনপ্রধান তখন প্রতিবেদনটি ‘আনক্লাসিফায়েড’ বলে উল্লেখ করেছিলেন।

প্রতিবেদনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘সবুজ সংকেত’, সমান্তরাল কমান্ড-কাঠামো এবং ভারতের সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়ার দাবি করা হয়েছে। কমিশন ১১৪ কর্মদিবসে ৩০০-এর বেশি সাক্ষীর জবানবন্দি নেয় এবং ছয় দেশের দূতাবাস ও জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর কাছে তথ্য চায়। কমিশন সদস্য অধ্যাপক শরীফুল ইসলাম বলেন, পাসপোর্ট অধিদপ্তরের নথিতে ৮২৭ ভারতীয় পাসপোর্টধারীর পিলখানায় উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদনে ৭০টির বেশি সুপারিশ থাকলেও একটিও বাস্তবায়ন হয়নি বলে জানানো হয়েছে। বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠন বা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হয়নি বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়। শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যরা পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ, মামলা, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, ভারতের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া এবং সাক্ষী ও পরিবারগুলোর নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।