বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া গভীর নিম্নচাপটি পর্যাপ্ত শক্তি সঞ্চয় করতে না পারায় ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়নি। দ্রুত উপকূলের দিকে এগিয়ে গিয়ে এটি ভারতের উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ-দক্ষিণ ওড়িশা উপকূল অতিক্রম করে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সিস্টেমটি দক্ষিণ ওড়িশা ও সংলগ্ন উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এলাকায় স্থল গভীর নিম্নচাপ হিসেবে অবস্থান করছিল এবং ভারতের আবহাওয়া দপ্তর এটিকে ক্রমশ দুর্বল হওয়ার কথা জানিয়েছে।
আবহাওয়াবিদদের মতে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ু, দ্রুত অগ্রগতি এবং পুরোপুরি অনুকূল না থাকা সমুদ্র পরিস্থিতির কারণে এটি সাগরে যথেষ্ট সময় পায়নি। আবহাওয়াবিদ ড. ওমর ফারুক বলেন, সমুদ্রের তাপমাত্রাও পুরোপুরি অনুকূলে ছিল না। বজলুর রশিদ বলেন, সেপ্টেম্বরে ঘূর্ণিঝড় বিরল নয়, তবে বঙ্গোপসাগরে অক্টোবর ও নভেম্বরে ঘূর্ণিঝড়ের প্রবণতা বেশি। তিনি প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের প্রচারকে বিভ্রান্তিকর বলেছেন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে শুক্রবার দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির কথা বলা হয়েছে, কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা বন্দরে স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রাখতে বলা হয়েছে। মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি সাবধানে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।