Web Analytics

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশে গুমের প্রতিটি ঘটনা তদন্ত করে বিচার কার্যক্রম শুরু করেছে সরকার এবং ভবিষ্যতে এ অপরাধ ঠেকাতে পৃথক আইনি কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে রোববারের আগে শনিবার দেওয়া বাণীতে তিনি গুমকে বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর একটি ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব গুম হওয়া ব্যক্তি ও তাঁদের পরিবারের প্রতি তিনি গভীর সহানুভূতি জানান। তিনি বলেন, স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও রাজনৈতিক সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে গুম বেশি ঘটে; নিরাপত্তা বাহিনী বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা কখনো সরকারবিরোধী আন্দোলন ও ভিন্নমতের নেতাদের বিরুদ্ধে এ পথ নেয়। তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশের পতিত, পরাজিত ও পলাতক ফ্যাসিস্ট সরকার রাজনৈতিক অধিকার দমনে গুম ও অপহরণের পথ বেছে নিয়েছিল এবং গোপন বন্দিশালা তৈরি করেছিল, যা ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিতি পায়।

দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, বিভিন্ন সময়ে অন্তত ৭০০ মানুষ গুমের শিকার হয়েছেন বলে তিনি জানান। সংসদে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬ এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬ উত্থাপনের কথাও বলেন তিনি। এবারের প্রতিপাদ্য ‘ভিক্টিমস ফার্স্ট, অ্যাকশন্স নাউ’ উল্লেখ করে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিচার এবং জবাবদিহিতায় বিশ্বব্যাপী ঐক্যের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।