পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার আগে ইরান তাদের জব্দ থাকা সম্পদ ফেরত এবং যুদ্ধজনিত ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে। জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের কাছে ক্ষতিপূরণ চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন। ইরান সরকারের মুখপাত্র ফাতিমা মাহাজিরানি রুশ সংবাদমাধ্যমকে জানান, প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২৭০ বিলিয়ন ডলার, যার মধ্যে অবকাঠামো ক্ষতি ও শিল্প বন্ধ থাকার কারণে আর্থিক লোকসান অন্তর্ভুক্ত।
ইরানের সরকারি ও আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার মূল্যের ইরানি সম্পদ জব্দ রয়েছে। ১৯৮১ সালের আলজিয়ার্স চুক্তি ও ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তির মাধ্যমে কিছু সম্পদ ফেরত এলেও বেশিরভাগই এখনও আটকে আছে। ২০২৩ সালের বন্দি বিনিময় চুক্তিতে কাতারে রাখা ছয় বিলিয়ন ডলারের তহবিলে সীমিত প্রবেশাধিকার পেলেও তা পরবর্তীতে স্থগিত হয়।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি স্পষ্ট করেছেন, জব্দ সম্পদ ফেরত না পাওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বড় কোনো অগ্রগতি সম্ভব নয়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।