দু’বছর আগে গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে নির্বাসিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি আগামী ডিসেম্বর মাসে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন। দিল্লি থেকে রয়টার্সকে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার তাকে ফেরত পাঠাতে ভারতকে চিঠি দিচ্ছে, তবে তিনি নিজেই দেশে ফিরবেন। হাসিনা নির্বাসিত দলীয় নেতাদেরও তার সঙ্গে ফেরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিচারপ্রক্রিয়ায় তার আস্থা আছে এবং তিনি প্রমাণ করতে চান যে আদালতের বিচার একটি প্রহসন।
তার এই ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক ও গণমাধ্যম মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে, যা জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীর প্রাক্কালে এসেছে। সমালোচকরা তার ঘোষণার সময় ও উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, অতীতে ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতার কথা উল্লেখ করে। জুলাই বিপ্লবের অন্যতম নেতা এনসিপি প্রধান নাহিদ ইসলাম বলেছেন, শেখ হাসিনার ফেরার সিদ্ধান্ত সরকারই নেবে এবং মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অংশ হিসেবেই তাকে ফিরিয়ে আনতে হবে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ প্রশাসন ও বিচারবিভাগে নিজেদের প্রভাব বজায় থাকা অবস্থায় পদক্ষেপ নিতে চায়, যাতে বিএনপির অতীতের কৌশলগত ভুল পুনরাবৃত্তি না হয়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।