কুষ্টিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা করেন। একই মামলায় আরও তিন আওয়ামী লীগ নেতা আমৃত্যু কারাদণ্ড পেয়েছেন।
কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী এবং শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামিই পলাতক রয়েছেন। কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ রায়কে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে স্বাগত জানিয়েছেন। জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এনামুল হকও রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
নিহতদের পরিবার রায়ে সন্তুষ্টি জানালেও পলাতক আসামিদের কারণে সাজা কার্যকর নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। শহীদ বাবলু ফারাজীর ছেলে সুজন মাহমুদ সরাসরি গুলি চালানো পুলিশ সদস্যদেরও বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান। নিহত আশরাফুল ইসলামের স্ত্রী লাবনী আক্তার ইতি জানান, গত ৫ আগস্ট কুষ্টিয়া মডেল থানার সামনে গুলিবিদ্ধ হয়ে তাঁর স্বামী মারা যান। স্বজনেরা দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার ও রায় বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।