Web Analytics

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে বিরোধী দলগুলোর অভূতপূর্ব সক্রিয়তা দেখা যাচ্ছে, যা ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলের দমন-পীড়নের সময়ের চিত্র থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলটি ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯২টিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে এবং সরকার গঠনের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী। তবে একসময় নিষিদ্ধ থাকা ইসলামপন্থি জামায়াতে ইসলামী এবার শক্তিশালী চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে, তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বাধীন এনসিপি। রয়টার্সের বরাতে বলা হয়েছে, জামায়াত এবার তাদের ইতিহাসের সেরা নির্বাচনি ফল করতে পারে, যদিও এককভাবে সরকার গঠন সম্ভব নাও হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, স্পষ্ট নির্বাচনি ফলাফল এলে ১৭ কোটি ৫০ লাখ মানুষের দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরতে পারে এবং এর প্রভাব পড়বে চীন-ভারত সম্পর্কেও। শেখ হাসিনার নয়াদিল্লি পালানোর পর বাংলাদেশে চীনের প্রভাব বাড়ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, অন্যদিকে ভারত বিএনপির সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করার চেষ্টা করছে। জামায়াতের মিত্র এনসিপি নয়াদিল্লির প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও তারা কোনো দেশের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট নয় বলে জানিয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভোটাররা এবার ধর্মীয় ইস্যুর চেয়ে দুর্নীতি ও অর্থনৈতিক প্রশ্নে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন এবং তরুণ ভোটারদের ভূমিকা ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হবে।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।