যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার হুমকির পর ইরানের সঙ্গে বিমান চলাচল কার্যত বন্ধ করেছে ইরাক। দেশটির তিনটি প্রধান বিমানবন্দরে ইরানি বিমান সংস্থাগুলোর গ্রাউন্ড সার্ভিস বন্ধ করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের দ্বন্দ্বের মধ্যে এ পদক্ষেপ বাগদাদের ওপর নতুন চাপ তৈরি করেছে। এ বিষয়ে কোনো তারিখ বা বিমানবন্দরের নাম উল্লেখ করা হয়নি।
ইরানপন্থি রাজনীতিকেরা ইরাক সরকারকে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার চাপ উপেক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছিলেন, কিন্তু সরকার সেই আহ্বানে সাড়া দেয়নি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান—দুই দেশের সঙ্গেই ইরাকের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকায় ভারসাম্য রক্ষা কঠিন হয়ে পড়েছে। ইরাকের সংসদে ইরানপন্থি রাজনীতিকদের শক্তিশালী অবস্থান রয়েছে। বাণিজ্য ও গুরুত্বপূর্ণ পণ্য আমদানিতেও ইরানের ওপর নির্ভরশীল ইরাক, বিশেষত বিদ্যুৎ উৎপাদনের বড় অংশ ইরানি গ্যাসনির্ভর।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানি বিমান সংস্থার সেবা বন্ধের জবাবে ইরান পাল্টা পদক্ষেপ নিতে পারে, যা ইরাকের অর্থনীতিতে আরও চাপ সৃষ্টি করতে পারে। হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ ও জাহাজ চলাচলে বাধার কারণে ইরাকের প্রধান আয়ের উৎস তেল রপ্তানি ইতিমধ্যেই ব্যাহত হচ্ছে। সংকটের দায় নিয়ে দেশটির ভেতরে মতভেদ রয়েছে; কেউ ইরানের নিয়ন্ত্রণকে দায়ী করছেন, অন্যরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে দায়ী করছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।