ইরান বহু বছর ধরে তার ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার রক্ষায় ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার বা ‘মিসাইল সিটি’ কৌশল অনুসরণ করে আসছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল একতরফা যুদ্ধ শুরু করার পর দেশটি এখন সেই কৌশল থেকে সরে আসছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানের ভূগর্ভস্থ ঘাঁটিগুলোর ওপর নজরদারি ও হামলা চালানো হচ্ছে। স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গেছে, শিরাজ, ইসফাহান, তাবরিজ ও কেরমানশাহের কাছে বাঙ্কারগুলোর প্রবেশপথে ধ্বংস হওয়া ক্ষেপণাস্ত্র ও লঞ্চারের ধ্বংসাবশেষ।
বিশ্লেষকদের মতে, ভূগর্ভস্থ সাইলো পুনঃব্যবহারে প্রযুক্তিগত জটিলতার কারণে ইরান এই কৌশল থেকে সরে এসেছে। সংঘাত শুরুর আগে দেশটি কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও ট্রাক লঞ্চার ছড়িয়ে দিয়েছিল যাতে সহজে লক্ষ্যবস্তু না হয়। মার্কিন ও ইসরাইলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তেহরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ কমে গেছে, যা ইরানের দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের প্রস্তুতির ইঙ্গিত হতে পারে।
যুদ্ধের আগে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সংখ্যা নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে—কেউ বলছেন প্রায় ২,৫০০, আবার কেউ বলছেন প্রায় ৬,০০০ পর্যন্ত।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।