কানাডা বর্ডার সার্ভিস এজেন্সির তদন্তে ২০৯ বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য ২৪৩টি অস্থায়ী বসবাসের ভিসা আবেদনে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে। ২২ অক্টোবর রাশেল মির্জা, মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, মো. মুদাসসার আলম ভূঁইয়া ও কাজী নাফিজ আলম ভ্যালিফিল্ড আদালতে হাজির হন। পঞ্চম অভিযুক্ত মো. রাকিবুল হাসান বাংলাদেশে আছেন বলে জানা গেছে; তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।
সিবিএসএ জানায়, ২০২৪ সালের ৩ জুলাই কুইবেকের মার্সিয়ে এলাকায় একটি ব্যক্তিগত বাসায় তদারকিমূলক অভিযান চালানো হয়। এতে সিবিএসএ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মার্সিয়ে পৌর পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের প্রতিনিধিরা ছিলেন। অভিযানে কানাডার অভিবাসন ও শরণার্থী সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনের আলামত পাওয়ার পর ওই বছরের আগস্টে তদন্ত শুরু হয়।
তদন্তকারীদের দাবি, আবেদনগুলোতে কানাডার নাগরিকদের আমন্ত্রণকারী বা আতিথ্যদাতা হিসেবে দেখানো হয় এবং জাল নথি ও মিথ্যা তথ্য ব্যবহার করা হয়। ২০২৫ সালের ৩ জুন কুইবেক ও অন্টারিওর চার স্থানে তল্লাশিতে নথি, কম্পিউটার সরঞ্জাম ও অন্যান্য আলামত জব্দ করা হয়। ব্যাপকতা ও জটিলতার কারণে ৭৯টি গুরুত্বপূর্ণ আবেদন বিশেষভাবে যাচাই করা হয়েছে। অভিযোগগুলো এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।