Web Analytics

অর্থনীতিবিদ ও তামাকবিরোধী নেতৃবৃন্দ ২০২৬–২৭ অর্থবছরের চূড়ান্ত বাজেটে সব ধরনের তামাকপণ্যে সুনির্দিষ্ট শুল্ক আরোপের আহ্বান জানিয়েছেন। জাতীয় প্রেস ক্লাবে প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) ও অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া অ্যালায়েন্স (আত্মা) আয়োজিত বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, সিগারেটের মূল্যস্তর কমানো, সুনির্দিষ্ট শুল্ক চালু এবং তামাকপণ্যের দাম বাড়ালে জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন ও রাজস্ব বৃদ্ধি একসঙ্গে সম্ভব।

বক্তারা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য তুলে ধরে জানান, ২০২৬ সালে মাথাপিছু আয় ১০ দশমিক ২৭ শতাংশ বেড়েছে, কিন্তু নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে ৩০ থেকে ৮৯ শতাংশ পর্যন্ত। তবুও নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম মাত্র ৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ বেড়েছে। করহার অপরিবর্তিত থাকায় তামাক কোম্পানিগুলো অতিরিক্ত মুনাফা পাচ্ছে। তারা বিড়ি, জর্দা ও গুলের কর অপরিবর্তিত রাখা এবং নিকোটিন পাউচ ও হিটেড টোব্যাকো পণ্যে শুল্ক আরোপের সমালোচনা করেন, যা নতুন তামাকপণ্যকে বৈধতা দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেন।

প্রজ্ঞার হিসাব অনুযায়ী, তাদের প্রস্তাবিত কর কাঠামো বাস্তবায়িত হলে অতিরিক্ত ৪৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয়, প্রায় ৪ লাখ অকালমৃত্যু প্রতিরোধ এবং লক্ষাধিক মানুষ ধূমপান ত্যাগে উৎসাহিত হবে।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।