যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারকে চলতি সপ্তাহের শেষ পর্যন্ত সময় দিয়েছেন তার মন্ত্রিসভার অনুগামীরা, যাতে তিনি নিজের বিদায়ের সময়সূচি ঘোষণা করেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা না করলে তাকে দলীয় নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে। এই চাপের পেছনে রয়েছে লেবার পার্টির অ্যান্ডি বার্নহামের মেকার্সফিল্ড উপনির্বাচনে বড় জয়, যা তাকে সম্ভাব্য নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তুলে ধরেছে।
দলের প্রায় ২০০ এমপি বার্নহামের পক্ষে মনোনয়নপত্রে সই করতে প্রস্তুত বলে জানা গেছে, যদিও তার সমর্থকেরা কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই নেতৃত্ব পরিবর্তন চান। হেইডি আলেকজান্ডার, এড মিলিব্যান্ড ও শাবানা মাহমুদসহ একাধিক মন্ত্রী স্টারমারকে বিদায়ের সময়সূচি নির্ধারণের আহ্বান জানিয়েছেন। প্রবীণ নেতা ডেভিড ব্লানকেট ও হ্যারিয়েট হারম্যানও একই দাবি তুলেছেন। তবে স্টারমার লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে সতর্ক করেছেন যে, নেতৃত্বের লড়াই দলকে বিশৃঙ্খলায় ফেলতে পারে।
দলীয় সূত্র জানিয়েছে, স্টারমার যদি এই সপ্তাহে পদত্যাগ বা ক্ষমতা হস্তান্তরের ইঙ্গিত না দেন, তবে আগামী মঙ্গলবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে বড় পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। এদিকে তার অনুগামীরা বিকল্প হিসেবে ড্যারেন জোন্সকে সমর্থন দেওয়ার চেষ্টা করছেন, আর সাবেক মন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং বার্নহামকে সমর্থন দিতে পারেন বলে আলোচনা চলছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।