রাজশাহী, নাটোর, পাবনা ও কুষ্টিয়ার বিস্তীর্ণ পদ্মার চরাঞ্চলে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর দাপটে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি চরমভাবে অবনত হয়েছে। গত মঙ্গলবার চরজাজিরা এলাকায় বালুমহালের ম্যানেজার আজিজুল হাকিমকে গুলি করে হত্যা করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, অস্ত্রধারীরা স্পিডবোটে এসে ড্রোনের মাধ্যমে অবস্থান শনাক্ত করে গুলি চালায়। পুলিশ জানায়, অন্তত ১১টি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে, যার মধ্যে ‘কাঁকন বাহিনী’ সবচেয়ে প্রভাবশালী।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কাঁকন বাহিনীর বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা রয়েছে এবং অভিযানে ১৫–২০ জন সদস্য গ্রেপ্তার হলেও নেতা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। চার জেলার দুর্গম চরাঞ্চল ও নদীপথনির্ভর যোগাযোগব্যবস্থা অভিযানে বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে। সর্বশেষ সংঘর্ষে শতাধিক গুলি ছোড়ার তথ্য পাওয়া গেছে এবং আধুনিক অস্ত্র ব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে। আজিজুল হত্যার পর চার জেলার সমন্বিত অভিযান পরিকল্পনা করছে পুলিশ।
চরবাসীরা জানিয়েছেন, গুলির শব্দে ঘুম ভাঙে তাদের, সন্ধ্যার পর চলাচল বন্ধ থাকে। তারা দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও চার জেলার সমন্বিত উদ্যোগে শান্তি ফেরানোর দাবি জানিয়েছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।