উচ্চশিক্ষার জন্য রাশিয়ায় গিয়ে রহস্যজনকভাবে নিহত কুষ্টিয়ার ২৬ বছর বয়সী শিক্ষার্থী খালেকুজ্জামান অনিকের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। রোববার বাদ জোহর কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আইলচারা ইউনিয়নের সওড়াতলা জামে মসজিদসংলগ্ন মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে মসজিদসংলগ্ন কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। দীর্ঘ এক মাস ১২ দিন পর রোববার দুপুরে তার মরদেহ দেশে পৌঁছে নিজ গ্রাম সওড়াতলায় নেওয়া হয়।
মরদেহ গ্রামে পৌঁছালে স্বজন ও এলাকাবাসীর কান্নায় শোকাবহ পরিবেশ সৃষ্টি হয় এবং শত শত মানুষ শেষবারের মতো তাকে দেখতে ভিড় করেন। অনিক ছিলেন সওড়াতলা গ্রামের কৃষক মানোয়ার বিশ্বাসের ছেলে। তিনি রাশিয়ার চেলিয়াবিনস্কে সাউথ ইউরাল স্টেট ইউনিভার্সিটিতে পড়তেন এবং প্রায় আড়াই বছর আগে বৃত্তি নিয়ে সেখানে উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হন। জানাজায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, আলেম-ওলামা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২০ জুন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের একটি পাঁচতলা ভবনের ছাদ থেকে নিচে পড়ে অনিকের মৃত্যু হয়; ২১ জুন তারা এ খবর পান। কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি বলে তার চাচা মুফতি আলী হোসাইন ফারুকী জানান। কুষ্টিয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমীর হামজা বলেন, প্রথমে মরদেহ দেশে আনতে ২৫ লাখ টাকা দাবি করা হলেও রাশিয়ার দূতাবাস ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় প্রায় ৮ লাখ টাকায় তা সম্ভব হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।