মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার ভোর পর্যন্ত কুয়েত থেকে আবুধাবি পর্যন্ত উপসাগরীয় অঞ্চলে বিমানবিধ্বংসী সাইরেন ও ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরণে স্বাভাবিক জীবন থমকে যায়। দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি এলেও ইরান যুদ্ধ সত্যিই শেষ হয়েছে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এই সংঘাত বহুদিনের নিরাপত্তা ঝুঁকিকে বাস্তবে রূপ দিয়েছে এবং হরমুজ প্রণালির নাজুক অবস্থান স্পষ্ট করেছে, যার মাধ্যমে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ জ্বালানি পরিবাহিত হয়।
গত ছয় সপ্তাহে কুয়েত থেকে ওমান পর্যন্ত তেল শোধনাগার, বিমানবন্দর ও ডেটা সেন্টারে একাধিক হামলা হয়েছে। দুবাইয়ের পর্যটন শিল্প ও সৌদি আরবের অর্থনৈতিক বৈচিত্র্যের পরিকল্পনা বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। একই সঙ্গে অঞ্চলটিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডেটা হাব বানানোর স্বপ্নও ধাক্কা খেয়েছে, কারণ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এখন ইউরোপকে নিরাপদ মনে করছে।
বিদেশি পেশাজীবীরা নিরাপত্তা আশঙ্কায় এলাকা ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, যা আবাসন ও স্থানীয় ব্যবসায় ধস নামাতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের সুরক্ষার ওপর নির্ভরশীল উপসাগরীয় দেশগুলো এখন ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে নতুন নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব খুঁজছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।