যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পর বুধবার দক্ষিণ কোরিয়ার শেয়ারবাজারে বড় ধরনের দরপতন ঘটে, যার ফলে কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে লেনদেন বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়। কসপি সূচক ৮ শতাংশের বেশি পড়ে গেলে স্বয়ংক্রিয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে প্রায় ২০ মিনিটের জন্য লেনদেন স্থগিত করা হয়। পরে লেনদেন চালু হলে সূচকটি ১০ শতাংশের বেশি নিচে নেমে যায়। বাজার আরো ১৫ শতাংশ পর্যন্ত পড়লে আবারও সার্কিট ব্রেকার কার্যকর হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
২০২৪ সালের আগস্টের পর এই প্রথম সার্কিট ব্রেকার চালু হলো। এই ব্যবস্থা শেয়ারবাজারে অস্বাভাবিক অস্থিরতা দেখা দিলে বড় ধরনের পতন ঠেকাতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়। এটি বাজারের ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণের একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া।
দক্ষিণ কোরিয়া মধ্যপ্রাচ্যের তেল আমদানির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল এবং রপ্তানিনির্ভর অর্থনীতি হওয়ায় ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা বা সংঘাতের কারণে জ্বালানি সরবরাহ ও বাণিজ্য ঝুঁকির মুখে পড়লে বাজার দ্রুত প্রভাবিত হয়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।