জামায়াতে ইসলামীর আইনজীবী শিশির মনির সোমবার জুলাই সনদ ও সংস্কার প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে মতবিনিময় শুরুর উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সুপ্রিম কোর্টের এনেক্স ভবনের সামনে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, নির্বাচনের আগেই জুলাই সনদ চূড়ান্ত হয়েছে এবং এর সবকিছু লিখিত ও সর্বসম্মতভাবে নির্ধারিত।
শিশির মনিরের ভাষ্য, কোনো ভিন্নমত থাকলে বা না থাকলেও তা দলিলেই স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। তাই নতুন মতবিনিময়ে কী করা হবে—সনদ বাতিল করা হবে, নাকি তা থেকে সরে যাওয়া হবে—সে প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর মতে, নিজের অবস্থান বা কর্তৃত্ব থেকে সরে আসতে না পারলেই এ ধরনের চিন্তা তৈরি হয় এবং এটি সময়ক্ষেপণের ইগোইস্টিক কর্মকাণ্ড।
অতীতের রাজনৈতিক অচলাবস্থার উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার ও নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতে রাজনৈতিক ইগোর কারণে দেশ ১৫ বছর হারিয়েছে। নির্বাচনের মেয়াদ শেষে নিরপেক্ষ সরকারের দায়িত্ব পালনের বিষয়টি না মানায় একটি প্রজন্মকে ১৫ বছর লড়াই করতে হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। মীমাংসিত ব্যবস্থাকে আবার সংকটে না ফেলতে সতর্ক করে তিনি বলেন, পুরোনো ভুলের পুনরাবৃত্তি গ্রহণযোগ্য নয়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।