Web Analytics

ভারতের বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্ক ও বিক্ষোভ বেড়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর শুরু হওয়া এ প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন রাজ্যের ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ১৩ কোটি নাম বাদ পড়েছে। পশ্চিমবঙ্গের শাহিদা ফকিরের অভিযোগ, জন্মসনদ, পারিবারিক জমির নথি ও বাবা-মায়ের ভোটার তালিকাভুক্তির প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও নাম বাদ পড়ার পর গত জুলাইয়ে তাকে জোর করে বাংলাদেশে পাঠানো হয়। তিনি সীমান্তবর্তী একটি গ্রামে আটকে আছেন বলে জানান।

মোদি সরকার ও নির্বাচন কমিশন এসআইআরকে মৃত ব্যক্তি ও একই ব্যক্তির একাধিক নাম বাদ দিয়ে তালিকা নির্ভুল করার বৈধ উদ্যোগ বলছে। তবে সমালোচকদের অভিযোগ, মুসলিম, দরিদ্র, সংখ্যালঘু এবং নিম্নবর্ণের বহু বৈধ ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর এক কর্মকর্তা ফকিরের নথি যাচাই করে তাকে ভারতের নাগরিক হিসেবে নিশ্চিত করেছেন। গত সেপ্টেম্বরে তার পরিবার সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করলে ভারত সরকারকে এক মাসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়।

দিল্লিতে বিক্ষোভে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি উঠেছে। বিরোধী দল ও ককরোচ জনতা পার্টি এসআইআরকে নির্বাচনী সুবিধা নেওয়ার হাতিয়ার বলে অভিযোগ করেছে। বিজেপি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, বাদ পড়া ব্যক্তিরা পুনরায় নিবন্ধন করতে পারবেন। বৈধ মুসলিম ভোটারদের লক্ষ্য করে ব্যাপক আপত্তি জমার অভিযোগের পর কমিশন অন্যের নাম বাদ দেওয়ার আবেদনসংখ্যায় সীমা আরোপ করেছে।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।