বাংলাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ৭৮ হাজারেরও বেশি শিক্ষক পদ শূন্য থাকায় শিক্ষার কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এর মধ্যে ৩৪ হাজারের বেশি প্রধান শিক্ষক ও ২৪ হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে। দীর্ঘসূত্রতা, আদালতের মামলা ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থবির হয়ে পড়েছে, ফলে বিশেষ করে প্রান্তিক অঞ্চলের বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার মান নেমে যাচ্ছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ১৪ হাজার ৩৮৪ শিক্ষক নিয়োগের ফলাফল চূড়ান্ত হলেও প্রক্রিয়াটি আড়াই মাস ধরে আটকে আছে। পিএসসির মাধ্যমে সরাসরি নিয়োগের জন্য মাত্র ১,১২২টি পদের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে, যেখানে আবেদন করেছেন প্রায় সাত লাখ প্রার্থী, কিন্তু এখনো পরীক্ষার তারিখ নির্ধারিত হয়নি। আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে যোগ্য সহকারী শিক্ষকরা পদোন্নতি পাচ্ছেন না।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রায় ৬০ হাজার শিক্ষক দ্রুত নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে এবং ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক পদের মামলার জটিলতা নিরসনে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।