Web Analytics

ইরানের পাল্টা হামলা ও হরমুজ প্রণালি অবরোধের ফলে কাতারের জ্বালানি খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সংকটে কাতারের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানি কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে এবং দেশটি কয়েক বিলিয়ন ডলার রাজস্ব হারিয়েছে। দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে হরমুজ প্রণালির কাছে ঘুরতে থাকা গ্যাসবাহী ট্যাঙ্কার ‘রাশিদা’ এখন বৈশ্বিক জ্বালানি অচলাবস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে।

মার্চ মাসে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কাতারের রাস লাফান এলএনজি উৎপাদনকেন্দ্রের দুটি ইউনিট মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যা মোট উৎপাদনের প্রায় ১৭ শতাংশ সরবরাহ করত। কাতার এনার্জির হিসাব অনুযায়ী, পূর্ণ সক্ষমতা ফিরিয়ে আনতে তিন থেকে পাঁচ বছর সময় লাগতে পারে। বর্তমানে প্রায় ১,৬০০ জাহাজ হরমুজ প্রণালির আশপাশে আটকা রয়েছে, এবং নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে শিপিং কোম্পানিগুলো চলাচলে অনীহা প্রকাশ করছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সংকট মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি মানচিত্রে স্থায়ী পরিবর্তন আনতে পারে, কারণ হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে যাওয়ার বিকল্প অবকাঠামো প্রকল্পগুলোর প্রতি সমর্থন বাড়ছে।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।