বিএনপি সরকারের ছয় মাস পূর্তিতে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য বলছে, তারা সংসদ ও রাজপথে দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক বিরোধী দলের ভূমিকা পালনের চেষ্টা করছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর গঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে জোটটির সদস্য ৯০ জন, যার মধ্যে সংরক্ষিত আসনের ১৩ নারী সদস্য রয়েছেন। জোটের বক্তব্য, জনকল্যাণকর কাজে তারা সরকারকে সহযোগিতা করে এবং দেশ ও জনগণের স্বার্থবিরোধী মনে করা পদক্ষেপের বিরোধিতা করে।
বিরোধী সদস্যরা জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জ্বালানি সংকট, প্রবাসীদের সমস্যা, ব্যাংকিং সংকট, খুন, ধর্ষণ, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির মতো বিষয় সংসদে তুলেছেন। তারা বিলের আলোচনায় অংশ নিয়েছেন, কোথাও কণ্ঠভোটে সমর্থন দিয়েছেন, বাজেট বিষয়ে মতামত ও ছায়া বাজেট দিয়েছেন। বিভিন্ন ইস্যুতে মতামত উপেক্ষা এবং সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে তারা পাঁচ দফা ওয়াকআউটও করেন।
সংসদে সাড়া না পাওয়ার অভিযোগে জোটটি ৪ এপ্রিল থেকে রাজপথের কর্মসূচি শুরু করে। ৫ থেকে ২৪ অক্টোবর চার বিভাগে লংমার্চ এবং ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বিরোধী নেতারা সরকারি বাধা, বৈষম্য ও হামলার অভিযোগ তুলেছেন। আবার কয়েকজন এমপির বিতর্কিত কর্মকাণ্ডেও জোট অস্বস্তিতে পড়ে; নৈতিক স্খলনের অভিযোগে জামায়াত এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।