জর্ডানের সরকারি কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান যুদ্ধ নিয়ে ক্ষোভ থাকলেও ইসরাইলের সম্ভাব্য পশ্চিমতীর দখল দেশটির জন্য আরও বড় হুমকি। তাদের আশঙ্কা, দখলদারিত্বের ফলে বিপুলসংখ্যক ফিলিস্তিনি জর্ডানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হতে পারেন। এতে জনসংখ্যার ভারসাম্য, রাজনৈতিক কাঠামো ও অর্থনীতিতে তীব্র চাপ পড়বে। জর্ডানিরা এই আশঙ্কাকে ‘আল-ওয়াতান আল-বাদিল’ বা বিকল্প জন্মভূমি বলে অভিহিত করেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পশ্চিমতীর দখলের ধরনই বাস্তুচ্যুতির পরিমাণ নির্ধারণ করবে। শুধু ‘সি’ অঞ্চল ও পূর্ব জেরুসালেম দখল হলেও অন্তত পাঁচ লাখ ফিলিস্তিনি জর্ডানে ঢুকতে পারেন। আর ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’ তিন অঞ্চলই নিয়ন্ত্রণে নিলে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ বিলুপ্ত হয়ে আরও বড় গণহিজরতের ঝুঁকি তৈরি হবে। মূল জর্ডানি ও ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত জর্ডানিদের মধ্যে বিদ্যমান নাজুক ভারসাম্যও এতে ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহ পশ্চিমতীর দখলের চেষ্টা মেনে না নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। নীতিনির্ধারকেরা ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইসরাইল এগোলে আম্মান ১৯৯৪ সালের শান্তি চুক্তি বাতিল, সীমান্ত পারাপার বন্ধ এবং সীমান্তে সেনা মোতায়েন করতে পারে। তবে মার্কিন সহায়তার ওপর নির্ভরতা এবং পশ্চিমতীরের সঙ্গে ৬০ মাইল দুর্গম সীমান্ত পুরোপুরি বন্ধ করার কঠিন বাস্তবতা এসব পদক্ষেপকে সীমিত করতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।