রোববার রাতে ইরানের হামলায় ইসরাইল হতবাক হয়ে পড়েছে এবং দেশটির রাজনীতিক ও সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র বিভাজন দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নীতির সমালোচনা করে ইরানের বিরুদ্ধে আরও শক্ত প্রতিক্রিয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন, অন্যরা নতুন করে যুদ্ধ শুরু করার বিপক্ষে সতর্ক করছেন। এর আগে বৈরুতের দক্ষিণে ইসরাইলি হামলাকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন বলে নিন্দা করেছিল ইরান। পাল্টা হিসেবে ইসরাইল তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে বিমান হামলা চালায়, যার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উভয় পক্ষকে অবিলম্বে গোলাগুলি বন্ধের আহ্বান জানান।
ইসরাইলি বিশ্লেষকরা নেতানিয়াহুর ওপর মার্কিন প্রভাবের সমালোচনা করেছেন এবং কেউ কেউ সরাসরি ইরানে আঘাত হানার দাবি তুলেছেন। অন্যদিকে, কিছু বিশেষজ্ঞ এই সংঘাতকে ইরানের বিরুদ্ধে আগের যৌথ ইসরাইল-মার্কিন অভিযানের ব্যর্থতার প্রমাণ হিসেবে দেখছেন। সরকার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে স্কুল, গণজমায়েত ও পরিবহন সীমিত করেছে।
ইসরাইলি সেনাবাহিনী রিজার্ভ সৈন্য ডেকে পাঠাচ্ছে এবং কয়েকদিনের লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে। এই উত্তেজনা ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজন আরও গভীর করেছে, যেখানে বিরোধীরা নেতানিয়াহুকে রাজনৈতিক স্বার্থে সংঘাত বাড়ানোর অভিযোগ তুলছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।