আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জুলাই বিপ্লবের আবু সাঈদ হত্যা ও চানখাঁরপুল গণহত্যাসহ কয়েকটি মামলার রায় ঘোষণা করেছে, যেখানে ১৩ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ১০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতাদের জামিনে মুক্তি এবং সরকারের পক্ষ থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দায়ের হওয়া মামলাগুলো পুনঃযাচাইয়ের নির্দেশ বিচার প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে জনমনে সন্দেহ সৃষ্টি করেছে। জাতিসংঘের নির্যাতনবিরোধী বিশেষ দূত ড. অ্যালিস জিল এডওয়ার্ডস বিচার প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছেন।
চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামের পরিবর্তে মো. আমিনুল ইসলামকে নিয়োগ দেওয়ায় রাজনৈতিক ও নাগরিক মহলে নতুন প্রশ্ন উঠেছে। কেউ কেউ মনে করছেন, এই পরিবর্তন উচ্চপদস্থ অভিযুক্তদের বিচারে প্রভাব ফেলতে পারে, যদিও নতুন প্রসিকিউটর ন্যায়বিচার নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মামলাগুলো পুনঃযাচাইয়ের নির্দেশ বিচার প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাবের আশঙ্কা আরও বাড়িয়েছে।
বর্তমানে ২১টি মামলা বিচারাধীন এবং ৪৫৭ জন আসামির মধ্যে ১৬১ জন গ্রেপ্তার। ভুক্তভোগীরা প্রশ্ন তুলছেন, এই পুনঃযাচাই কি নিরীহ মানুষকে রক্ষার পদক্ষেপ, নাকি ন্যায়বিচারের পথে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।