Web Analytics

গত এক বছরে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চোরাচালানের ধরণে বড় পরিবর্তন এসেছে। আগে যেখানে স্বর্ণের বার ছিল প্রধান চোরাই পণ্য, এখন সেখানে জায়গা নিয়েছে বিদেশি সিগারেট। কাস্টমস গোয়েন্দাদের তথ্যমতে, প্রতি শলাকা সিগারেটে প্রায় ১৭ টাকা শুল্ক ফাঁকি দিয়ে পাচারকারীরা এক কার্টনে সাড়ে তিন হাজার টাকার বেশি লাভ করছে। ঝুঁকি তুলনামূলক কম হওয়ায় চোরাকারবারিরা এখন সিগারেট পাচারে বেশি আগ্রহী। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, দুবাই থেকে আসা ফ্লাইটগুলোয় এই প্রবণতা সবচেয়ে বেশি।

গত ছয় মাসে ২৫ হাজার কার্টন সিগারেট ও বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ কসমেটিকস আটক করা হয়েছে। স্বর্ণ চোরাচালানে জড়িত একই চক্র এখন সিগারেট পাচারে সক্রিয়। কাস্টমস কর্মকর্তারা সন্দেহ করছেন, বিমানবন্দরের কিছু নিরাপত্তা কর্মী ও ঠিকাদার এই সিন্ডিকেটের সঙ্গে যুক্ত। তারা চট্টগ্রাম ও ঢাকা রুটে যাত্রী পরিবর্তনের কৌশলে পণ্য পাচার করছে।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ দুবাই রুটে শতভাগ স্ক্যানিং চালু করেছে। এতে অনেক পণ্য ধরা পড়লেও পাচারকারীরা নতুন কৌশল নিচ্ছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অবৈধ পণ্য প্রবেশ রোধে সব সংস্থার সমন্বয়ে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।