Web Analytics

তীব্র লোডশেডিংয়ে কুমিল্লার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে। ২৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের প্রতিবেদনে বলা হয়, শহরে প্রতিদিন চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকলেও গ্রামীণ এলাকায় ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে। এতে শিশু, বয়স্ক ও শিক্ষার্থীরা বিশেষভাবে ভোগান্তিতে পড়েছেন। এসএসসি পরীক্ষার্থীরা রাতের বেলায় বিদ্যুৎ না থাকায় পড়াশোনা করতে পারছেন না। কৃষি খাতেও প্রভাব পড়েছে, কারণ সেচ পাম্প চালাতে না পারায় জমিতে পানি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না, ফলে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বিদ্যুৎ না থাকায় গ্রামীণ ক্লিনিক ও ফার্মেসিগুলোতে ওষুধ সংরক্ষণে সমস্যা দেখা দিয়েছে। দোকান ও হোটেল ব্যবসায়ীরাও ক্ষতির মুখে পড়েছেন, কারণ গরমে মানুষ বাইরে বের হতে চাইছে না। কুমিল্লা পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি ও পিডিবি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জেলার বিদ্যুতের চাহিদা ১,৮০০ মেগাওয়াট হলেও সরবরাহ হচ্ছে মাত্র ১,০০০ থেকে ১,১০০ মেগাওয়াট। জাতীয়ভাবে ২৩ এপ্রিল বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৫,৬৫০ মেগাওয়াট, উৎপাদন হয়েছে ১৩,৯৪৫ মেগাওয়াট, ফলে ঘাটতি পূরণে লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সেচের সুবিধার্থে রাত ১১টা থেকে সকাল ১১টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের চেষ্টা করা হচ্ছে, তবে গ্রামীণ মানুষ এখনো দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছেন।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।