একটি বাংলা মন্তব্যধর্মী লেখায় রাজধানীতে কয়েকজন তরুণ-তরুণীর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে কালি লেপন এবং এ ঘটনায় জুলাইযোদ্ধা আয়াসসহ কয়েকজনের রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় কারাবন্দি হওয়ার নিন্দা জানানো হয়েছে। লেখক বলেন, ১৯১৩ সালের নোবেলজয়ী ও ১৯৪১ সালে প্রয়াত রবীন্দ্রনাথকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভিলেন বানানো যেমন ভুল, তেমনি প্রতিকৃতিতে কালি দেওয়ার ঘটনায় রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করাও আইনের চরম অপব্যবহার।
লেখাটিতে রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যিক প্রতিভা অস্বীকারের বিরোধিতা করা হয়েছে এবং পাকিস্তান আমলে রবীন্দ্রসংগীত নিষিদ্ধ করার প্রসঙ্গ তোলা হয়েছে। জাতীয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা’ নিয়ে বিতর্কের কথাও এসেছে। লেখকের মতে, শুধু কবিকে অপছন্দ করার কারণে জাতীয় সংগীত বদলালে জাতির মর্যাদা বাড়বে না।
মন্তব্যকারীর ভাষ্য, কিছু সাংস্কৃতিক সংগঠনের রবীন্দ্রনাথকেন্দ্রিক বাড়াবাড়ি সমাজের একাংশে বিরূপতা তৈরি করেছে। তবে রবীন্দ্রসাহিত্য নিয়ে সুস্থ বিতর্ক ও একাডেমিক আলোচনার সুযোগ থাকা উচিত বলে তিনি মনে করেন। প্রতিভাকে অস্বীকার বা কবিকে অসম্মান না করে সাংস্কৃতিক লড়াই মেধা দিয়ে পরিচালনার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।