নেপালের ত্রিশূলী নদীর তীরে বন্যার পর কাদায় ভরা জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে ৬০০-এর বেশি শ্রমিক আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সোমবার উদ্ধারকারীরা ত্রিশূলী-৩ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে পৌঁছাতে পাহাড়ের ঢালে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পথ তৈরির চেষ্টা করেন এবং একটি সুড়ঙ্গে বাতাস ঢোকানো শুরু করেন। নেপাল-তিব্বত সীমান্তের বন্যায় মৃতের সংখ্যা ৯৩৯ এবং নিখোঁজের সংখ্যা ৩ হাজার ৯২৫ বলে জানিয়েছে নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।
প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ জানিয়েছেন, এসব প্রকল্প থেকে ২৭৯ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। চীন ও নেপালের সামরিক সদস্যদের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক উদ্ধার দলে ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞরাও রয়েছেন। সোমবার একটি দল জলবিদ্যুৎ প্রকল্পমুখী সুড়ঙ্গে ঢুকলেও কাউকে না পেয়ে ফিরে আসে। নিখোঁজ শ্রমিকদের স্বজনেরা অক্সিজেনের ব্যবস্থা আগে নেওয়া উচিত ছিল বলে মত দিয়েছেন এবং অভিযান দ্রুত করার দাবি জানিয়েছেন।
অস্ট্রেলীয় প্রকৌশলী আর্নল্ড ডিক্স বলেন, ধ্বংসযজ্ঞের কারণে সুড়ঙ্গগুলোর অবস্থান শনাক্ত করতেই উদ্ধারকারীদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। সাম্প্রতিক বন্যায় নির্মিত বা নির্মাণাধীন অন্তত ১১টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উদ্ধার হওয়া প্রায় ৯০০ লাশের মাত্র ৪ শতাংশ শনাক্ত হয়েছে; চিতওয়ানে অস্থায়ী দাফন ও ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ চলছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।