জাতিসংঘের বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা বলেছে, চলতি এল নিনো তাদের চার দশকের পর্যবেক্ষণে সবচেয়ে শক্তিশালী হতে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় সংবাদ সম্মেলনে ডব্লিউএমও প্রধান সেলেস্তে সাওলো বলেন, এ ঘটনা বিশ্বজুড়ে জনগোষ্ঠী ও অর্থনীতিতে প্রচণ্ড আঘাত হানতে পারে। সংস্থাটি জানিয়েছে, বছরের শেষে এর প্রভাব চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাবে এবং ২০২৭ সালেও তা অব্যাহত থাকবে।
এল নিনোর সময় প্রশান্ত মহাসাগরের নিরক্ষীয় অঞ্চলের সমুদ্রের পানি অস্বাভাবিক উষ্ণ হয়, যা বিশ্বজুড়ে বায়ুচাপ ও বৃষ্টিপাতের ধারা বদলায়। সাওলো বলেন, খরা ও বন্যার প্রভাব ইতোমধ্যে দেখা যাচ্ছে এবং এল নিনো শক্তিশালী হলে তা আরও বাড়তে পারে। ডব্লিউএমও সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরের মধ্যে বিশ্বের প্রায় সব স্থলভাগে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তাপমাত্রা ও চরম আবহাওয়ার প্রবল আশঙ্কার কথা জানিয়েছে।
জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, উষ্ণ সমুদ্রপৃষ্ঠের কারণে বিশ্ব বিরূপ আবহাওয়ার ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় প্রবেশ করেছে। অ্যামাজন অঞ্চল, ইন্দোনেশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ায় খরা দেখা দিয়েছে। ইন্দোনেশিয়ায় দাবানলের ধোঁয়ায় জুলাই-আগস্টে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ তীব্র শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন, যাদের মধ্যে পাঁচ বছরের কম বয়সি শিশু ১২ হাজার। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় স্বাস্থ্যকর্মী পাঠানো এবং মাস্ক ও অক্সিজেন সিলিন্ডার বিতরণ করা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।