Web Analytics

ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্সের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে সরকার, পরিবার ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত বৈশ্বিক ঋণ ১০ ট্রিলিয়ন ডলার বেড়ে ৩৬৫ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। ঋণ বৃদ্ধির বড় অংশ এসেছে উদীয়মান বাজারের দেশগুলো থেকে। ইউরোপে জীবনযাত্রার ব্যয়, কম মজুরি, আবাসনসংকট ও শিক্ষা খাতে অর্থায়নের ঘাটতি নিয়ে সাম্প্রতিক বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সরকারি ঋণ ও সুদ ব্যয় নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

ফ্রান্সে সবচেয়ে বেশি অস্থিরতা দেখা গেছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, গত শনিবার দেশজুড়ে ৫ লাখ ৫০ হাজারের বেশি মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন। ফ্রান্সকে ১০ বছর মেয়াদি সরকারি ঋণে প্রায় ৫ শতাংশ সুদ দিতে হচ্ছে, যেখানে জার্মানির হার ৩ দশমিক ৪১ শতাংশ। ফ্রান্সের সরকারি ঋণ ৪ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলার, যা জিডিপির ১১৮ দশমিক ৫ শতাংশ; আইএমএফের পূর্বাভাসে ২০৩০ সালে তা ১২১ দশমিক ৮ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।

গত এক বছরে উন্নত অর্থনীতির দেশগুলো সরকারি বন্ডের সুদ পরিশোধে ৩ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় করেছে। এই ব্যয় প্রতিরক্ষা, এআই ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি খাতের বৈশ্বিক ব্যয়ের চেয়েও বেশি। সুদ ব্যয় বাড়লে স্কুল, হাসপাতাল ও পেনশনে বরাদ্দ কমার চাপ এবং কর বাড়ানোর প্রয়োজন তৈরি হতে পারে। সরকারি ঋণের সুদ বাড়লে আবাসন, গাড়ি ও ক্রেডিট কার্ড ঋণের সুদও বাড়তে পারে।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।