Web Analytics

চীনে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের পর চীন-নেপাল সীমান্তের গিয়েরং বন্দর উদ্ধার তৎপরতার প্রধান কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজে সীমান্ত চিহ্নিতকারী বিশাল ভবনটি কাদা ও পানির প্রবল স্রোতে ভেসে যেতে দেখা গেছে। এ সময় শত শত মানুষ প্রাণ বাঁচাতে নিরাপদ স্থানের দিকে দৌড়ে ছুটছিলেন। ভবনটি হিমালয়ের পাঁচটি উপত্যকার মধ্যে সবচেয়ে গভীর উপত্যকায় ছিল।

২০১৫ সালের ভূমিকম্পে অন্য যোগাযোগপথ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর গিয়েরং বন্দর গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও যাতায়াতকেন্দ্র হয়ে ওঠে। নেপাল ও তিব্বতের মধ্যে যাতায়াতকারী পর্যটকদের জন্য এটি ছিল প্রধান প্রবেশপথ। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে এক লাখের বেশি মানুষ বন্দরটি ব্যবহার করেছেন এবং চীন-নেপাল মোট বাণিজ্যের ৩০ শতাংশের বেশি এ পথ দিয়ে পরিচালিত হয়েছে।

দুর্যোগের পর চীনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ অস্থিতিশীল গভীর উপত্যকায় এমন গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর স্থাপনের কারণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। গত বছরও প্রবল বৃষ্টিতে ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যায় ১৭ জন নিহত হন। তবে হিমালয় পাড়ি দেওয়ার ক্ষেত্রে উপত্যকাগুলোই প্রাকৃতিক পথ; যাযাবর, পশুপালক, নেপালি ব্যবসায়ী ও স্থানীয় গ্রামবাসী ১,৩০০ বছরের বেশি সময় ধরে এ পথ ব্যবহার করছেন।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।