যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাত আরও তীব্র করার প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথমবারের মতো একটি মার্কিন সামরিক জাহাজে হামলার চেষ্টা করার পর তেহরান এ অবস্থান নিয়েছে। মঙ্গলবার মার্কিন সামরিক বাহিনী জানায়, একটি মার্কিন নৌযানে হামলার চেষ্টার জবাবে তারা পাঁচটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার ধ্বংস করেছে। পাল্টা হিসেবে জর্ডানে মার্কিন বাহিনী ব্যবহার করে এমন একটি ঘাঁটিতে হামলার কথা জানিয়েছে ইরান।
মার্কিন নৌ অবরোধে ইরানের তেল রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় দেশটির অর্থনৈতিক সংকট গভীর হয়েছে। মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব ও মুদ্রার অবমূল্যায়নের মধ্যে জ্বালানি সংকটের কারণে মঙ্গলবার পেট্রোলের দাম বাড়িয়েছে সরকার। ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে ‘সমানুপাতিক প্রতিক্রিয়ার’ যুগ শেষ হয়েছে।
প্রতিবেদনে উদ্ধৃত বিশ্লেষকেরা মনে করেন, তেহরান সর্বাত্মক যুদ্ধ এড়িয়ে সামরিক চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করতে পারে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বলেছে, ইরানের জব্দ করা ড্রোনটি পুরোনো মডেলের এবং ত্রুটিতে অচল ছিল; এতে সংবেদনশীল তথ্য ছিল না। বিশ্লেষক ফারজান সাবেতের মতে, জ্বালানি সংকট তীব্র হলে শেষ পর্যন্ত দুই দেশ সীমিত, কার্যত একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।