চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার কমোডিটি মার্কেট চালুর প্রক্রিয়া এগোচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসেই ব্রোকারেজ হাউসের নিবন্ধনের ছাড়পত্র দেওয়া হতে পারে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন বড় ব্যবসায়ী, আমদানিকারক, রপ্তানিকারক, রিফাইনারি ও উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে হেজার হিসেবে অনুমোদনের বিষয়েও সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুর রহমান মজুমদার বলেন, অনুমোদন পাওয়ার দুই থেকে আড়াই মাসের মধ্যে বাজার চালু সম্ভব।
কমোডিটি ব্রোকার হিসেবে নিবন্ধনের জন্য লংকাবাংলা, বি-রিচ, সোহেল সিকিউরিটিজ, আইল্যান্ড সিকিউরিটিজ, রয়্যাল ক্যাপিটাল, ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজ ও এনএলআই সিকিউরিটিজ আবেদন করেছে। বাজারটি অত্যন্ত স্পেকুলেটিভ হওয়ায় সাত থেকে ১২টি ব্রোকারেজ হাউসকে নিবন্ধন দেওয়া হতে পারে এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণে বিধিনিষেধ আসতে পারে। নিবন্ধিত ব্রোকারদের মধ্য থেকেই মার্কেট মেকারের নিবন্ধন দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, যদিও এতে স্বার্থের সংঘাতের আশঙ্কার কথা উল্লেখ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রথম পর্যায়ে স্বর্ণ, রুপা ও তামার অনুমোদনের কথা রয়েছে; পরে ক্রুড অয়েল, পাম অয়েল ও তুলা যুক্ত হতে পারে। এবিজি লিমিটেড ও স্টক অ্যান্ড সিকিউরিটি লিংকওয়ের শেয়ার ধারণসংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে সংশ্লিষ্ট শেয়ার ব্লক রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। শেয়ার হস্তান্তরের নিষেধাজ্ঞা উঠলে এবিজিকে মালিকানা ছাড়তে হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।